ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সংবাদ প্রকাশের পর এসআই ক্লোজ : বদলগাছীতে ৩ হাজার টাকার ফোনে ৪ হাজার ঘুষ মান্দায় সন্ত্রাসী রাজু মেম্বারের গ্রেপ্তার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান —নিয়ামতপুরে ভূমিমন্ত্রী আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ইফতার পার্টি পরিচালনাকারী আশিক গ্রেপ্তার সাপাহারের গোপালপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক নিয়ামতপুরে ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা  মান্দায় পুলিশের সহায়তায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আত্রাইয়ে স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা নওগাঁয় শতকোটির সড়ক উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন প্রকৌশলী নূরে আলম

পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ আছে যেসব প্রতিশ্রুতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত এই ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে শুরু করে অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন-সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইশতেহার ঘোষণা করছেন। ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারে। এখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, সাংবিধানিক সংস্কার, জাতীয় ঐক্য, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, পুলিশ সংস্কার ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অঙ্গীকার। দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু মোকাবিলা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইশতেহারের তৃতীয় অধ্যায়ে রয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা।

বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পরিবহন ব্যবস্থা, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথাও এই অধ্যায়ে আছে। চতুর্থ অধ্যায়ে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ণ, আবাসন, নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ এবং পর্যটন খাত উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে এই অধ্যায়ে। সবশেষ পঞ্চম অধ্যায়ে গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার, ক্রীড়া উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চা এবং নৈতিকতার শক্ত পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা হয়েছে ইশতেহারের এই অধ্যায়ে।
বিএনপির ইশতেহারে যে নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো
১. প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থসেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
২. কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষিখাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
৩. দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
৪. আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা ও ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।
৫. তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণসহ মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
৬. ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা–উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠায়ো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
৭. পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
৮. ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
৯. ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিষ্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন, ও ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।
বিএনপি বলছে, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা-এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাঁচ অধ্যায়ে বিএনপির ইশতেহার, ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ আছে যেসব প্রতিশ্রুতি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নওগাঁ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত এই ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে শুরু করে অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন-সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইশতেহার ঘোষণা করছেন। ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারে। এখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, সাংবিধানিক সংস্কার, জাতীয় ঐক্য, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, পুলিশ সংস্কার ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অঙ্গীকার। দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু মোকাবিলা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইশতেহারের তৃতীয় অধ্যায়ে রয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা।

বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পরিবহন ব্যবস্থা, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা জোরদারের কথাও এই অধ্যায়ে আছে। চতুর্থ অধ্যায়ে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ণ, আবাসন, নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ এবং পর্যটন খাত উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে এই অধ্যায়ে। সবশেষ পঞ্চম অধ্যায়ে গুরুত্ব পেয়েছে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার, ক্রীড়া উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চা এবং নৈতিকতার শক্ত পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা হয়েছে ইশতেহারের এই অধ্যায়ে।
বিএনপির ইশতেহারে যে নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো
১. প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থসেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
২. কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষিখাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
৩. দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
৪. আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা ও ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।
৫. তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণসহ মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
৬. ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা–উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠায়ো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
৭. পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
৮. ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
৯. ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিষ্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন, ও ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।
বিএনপি বলছে, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা-এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।