নওগাঁর ভূমিহীন সাজ্জাদ পেলো সরকারি সহায়তা
- আপডেট সময় : ০৯:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৩১০ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার : নওগাঁয় আগুনে সব হারিয়ে যখন দিশেহারা ভূমিহীন দিনমজুর সাজ্জাদ হোসেন (৫৫) তখন একগুচ্ছ সরকারি সহায়তা নিয়ে হাজির সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কর্তা ব্যক্তিরা। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের দীঘা গ্রামের ওই ভূমিহীন দিনমজুরের বাড়িতে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে নগদ কিছু অর্থসহ প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাজ্জাদ হোসেন। এমন খবর জানার পর আজ বুধবার দুপুরে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষনিক সহায়তা তহবিল (জিআর) শাখা থেকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার ও কম্বল পৌছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঘর মেরামতের জন্য টিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী দিনমজুর সাজ্জাদ হোসেন জানান, অন্যের জায়গায় কোনমতে টিন দিয়ে নির্মাণ করা বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্ত্রী পাশের ইট ভাটার শ্রমিকদের রান্না করার কাজ করেন। এদিন আনুমানিক এশার নামাজের সময় কাজের তাগিদে তিনি এবং তার স্ত্রী ইট ভাটায় রান্নার কাজে চলে যান। এ সময় সাজ্জাদের বাড়িতে আগুন দেখতে পেয়ে প্রতিবেশিরা পাশের টিউবওয়েল থেকে পানি দিয়ে সেই আগুন নেভানোর চেস্টা করেন। অনুমান করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়েছে। এসময় বাড়িতে থাকা সকল কিছু আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। বর্তমানে দিনমজুর সাজ্জাদ নি:স্ব হয়ে গেছে। তাই সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন দিনমজুর। এমন খবর জানার পর বুধবার দুপুরে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষনিক সহায়তা তহবিল (জিআর) শাখা থেকে দুই প্যাকেট শুকনো খাবার ও কম্বল পৌছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঘর মেরামতের জন্য টিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রতিনিধি হিসেবে এই উপকরণগুলো তুলে দেন বক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সারওয়ার কালাম চঞ্চল। এ সময় সদর উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নওগাঁ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে ভূমিহীন ওই পরিবারকে শুকনো খাবার ও কম্বল দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া ঘর মেরামতের জন্য দুই বান্ডিল টিন ও আর্থিক সহযোগিতা হিসেবে নগদ ৬ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এমন দুর্ঘটনার শিকার যে কোন পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদান করতে তারা বদ্ধ পরিকর। আগামীতেও এই ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।










