ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সংবাদ প্রকাশের পর এসআই ক্লোজ : বদলগাছীতে ৩ হাজার টাকার ফোনে ৪ হাজার ঘুষ মান্দায় সন্ত্রাসী রাজু মেম্বারের গ্রেপ্তার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান —নিয়ামতপুরে ভূমিমন্ত্রী আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ইফতার পার্টি পরিচালনাকারী আশিক গ্রেপ্তার সাপাহারের গোপালপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক নিয়ামতপুরে ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা  মান্দায় পুলিশের সহায়তায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আত্রাইয়ে স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা নওগাঁয় শতকোটির সড়ক উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন প্রকৌশলী নূরে আলম

নওগাঁবাসী মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ফজলে হুদা বাবুলকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও টকশো ব্যত্তিত্ব ফজলে হুদা বাবুল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৫১ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়ে তিনি জেলায় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে নজির স্থাপন করেছেন।

বদলগাছী ও মহাদেবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের বদলগাছীতে অবস্থিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং প্রাচীন হলুদবিহার। হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল কৃষিতেও উর্বর। বিশেষ করে সবজি উৎপাদন এবং জিআই সনদপ্রাপ্ত নাক ফজলি আমের জন্য এলাকাটি সুপরিচিত। এছাড়া সারাদেশে চাল উৎপাদনে শীর্ষ স্থানীয় জেলা নওগাঁর অধিকাংশ চালকল মহাদেবপুর উপজেলায় অবস্থিত। অতীতে এই আসন থেকে ২০০১-২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রয়াত বিএনপি নেতা আকতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পর হলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার পরও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন ফজলে হুদা বাবুল। টকশোতে দৃপ্ত উপস্থিতি ও সাবলীল বক্তব্যের মাধ্যমে পরিচিত এই মিডিয়া ব্যক্তিত্বের বিজয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উচ্ছ্বাসের ঢেউ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ এই বিতার্কিক নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা ফজলে হুদা বাবুল যেন আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাহলে নওগাঁ তথা দেশের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

বদলগাছী উপজেলার বৈকুন্ঠপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুকলা রানী বলেন, ফজলে হুদা বাবুল একজন উচ্চশিক্ষত ও বিনীয় মানুষ। আমরা ধর্মের ভেদাভেদ না করে তাকে ভোট দিয়েছি। সে এমপি হওয়া আমার নিরাপদ থাকতে পারবো। তাকে মন্ত্রী করলে দলের নেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো। মহাদেবপুর উপজেলার খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের তরুণ ভোটার আসলাম হেসেন বলেন, তিনি একজন দক্ষ ও বহু জাতিক কোম্পানিতে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তি। তাকে মন্ত্রী করলে অভানীয় উন্নয়ন হবে।

ফজলে হুদা বাবুল আমাদের নওগাঁ’কে বলেন, এ জয় আসলে আমার নয়, বিএনপির সকল নেতাকর্মী, তারেক রহমান এবং ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ত্যাগের ও গণতন্ত্রের জয়। বিএনপি জানে কিভাবে সরকার গঠন করতে হয়, দেশ চালাতে হয়। দলের নীতিনির্ধারক ও তারেক রহমান মন্ত্রীত্ব দেওয়ার বিষয়ে যে সিন্ধান্ত নিবে সেটাই চুড়ান্ত। তবে আমাকে মন্ত্রী করা হলে মেধা-প্রঙ্গা দিয়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবো।
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, নওগাঁ জেলায় এর আগে ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও হুইপ ছিলো। কৃষি ও আমে আমরা সারাবিশ্ব এখন পরিচিত। সেই হিসেবে নওগাঁ একটি মন্ত্রীর পাশাপাশি উপমন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার অথবা হুইপ দিবেন আশা করছি। আর ফজলে হুদা বাবুল উচ্চশিক্ষিত ছেলে। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সিও ছিল। তার অভিজ্ঞতা বিবেচনা করবেন। ফজলে হুদা বাবুল মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা নওগাঁ জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি সারাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই তারেক রহমান তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে দলীয় ও এলাকাবাসী ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরুন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নওগাঁবাসী মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ফজলে হুদা বাবুলকে

আপডেট সময় : ১২:০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও টকশো ব্যত্তিত্ব ফজলে হুদা বাবুল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৫১ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়ে তিনি জেলায় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে নজির স্থাপন করেছেন।

বদলগাছী ও মহাদেবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের বদলগাছীতে অবস্থিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং প্রাচীন হলুদবিহার। হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল কৃষিতেও উর্বর। বিশেষ করে সবজি উৎপাদন এবং জিআই সনদপ্রাপ্ত নাক ফজলি আমের জন্য এলাকাটি সুপরিচিত। এছাড়া সারাদেশে চাল উৎপাদনে শীর্ষ স্থানীয় জেলা নওগাঁর অধিকাংশ চালকল মহাদেবপুর উপজেলায় অবস্থিত। অতীতে এই আসন থেকে ২০০১-২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রয়াত বিএনপি নেতা আকতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পর হলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার পরও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন ফজলে হুদা বাবুল। টকশোতে দৃপ্ত উপস্থিতি ও সাবলীল বক্তব্যের মাধ্যমে পরিচিত এই মিডিয়া ব্যক্তিত্বের বিজয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উচ্ছ্বাসের ঢেউ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ এই বিতার্কিক নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা ফজলে হুদা বাবুল যেন আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাহলে নওগাঁ তথা দেশের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

বদলগাছী উপজেলার বৈকুন্ঠপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শুকলা রানী বলেন, ফজলে হুদা বাবুল একজন উচ্চশিক্ষত ও বিনীয় মানুষ। আমরা ধর্মের ভেদাভেদ না করে তাকে ভোট দিয়েছি। সে এমপি হওয়া আমার নিরাপদ থাকতে পারবো। তাকে মন্ত্রী করলে দলের নেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো। মহাদেবপুর উপজেলার খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের তরুণ ভোটার আসলাম হেসেন বলেন, তিনি একজন দক্ষ ও বহু জাতিক কোম্পানিতে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তি। তাকে মন্ত্রী করলে অভানীয় উন্নয়ন হবে।

ফজলে হুদা বাবুল আমাদের নওগাঁ’কে বলেন, এ জয় আসলে আমার নয়, বিএনপির সকল নেতাকর্মী, তারেক রহমান এবং ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ত্যাগের ও গণতন্ত্রের জয়। বিএনপি জানে কিভাবে সরকার গঠন করতে হয়, দেশ চালাতে হয়। দলের নীতিনির্ধারক ও তারেক রহমান মন্ত্রীত্ব দেওয়ার বিষয়ে যে সিন্ধান্ত নিবে সেটাই চুড়ান্ত। তবে আমাকে মন্ত্রী করা হলে মেধা-প্রঙ্গা দিয়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবো।
নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, নওগাঁ জেলায় এর আগে ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও হুইপ ছিলো। কৃষি ও আমে আমরা সারাবিশ্ব এখন পরিচিত। সেই হিসেবে নওগাঁ একটি মন্ত্রীর পাশাপাশি উপমন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার অথবা হুইপ দিবেন আশা করছি। আর ফজলে হুদা বাবুল উচ্চশিক্ষিত ছেলে। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সিও ছিল। তার অভিজ্ঞতা বিবেচনা করবেন। ফজলে হুদা বাবুল মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা নওগাঁ জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি সারাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই তারেক রহমান তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে দলীয় ও এলাকাবাসী ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরুন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।