ধামইরহাটে খাসির মাংসের নামে কুকুরের মাংস বিক্রির চেষ্টা : অভিযুক্ত কসাই পলাতক
- আপডেট সময় : ১০:২৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর ধামইরহাটে খাসির মাংস বলে কুকুর জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক কসাই ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পারলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় কসাইরা।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ রবিবার সকালে উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারের হরগড়ি হাড়িপাড়ার তেঁতুলতলী মোড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের এআই টেকনিশিয়ান মিজানুর রহমান মিন্টু ঘটনাস্থলে গিয়ে কুকুর জবাইয়ের সত্যতা পান। এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে ধামইরহাট থানার এসআই আবির সেখানে গিয়ে কুকুরের মাংসগুলো উদ্ধার করেন।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবাড়ী বাজারের হরগড়ি হাড়িপাড়ার তেঁতুলতলী মোড়ে এনজাতুল ইসলাম ও তার সহযোগী দুদু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তারা খাসির মাংস বিক্রি করে আসছিলেন। আজ রোববার সকালে এনতাজুল তার বাড়ীতে কুকুর ধরে জবাইয়ের ঘটনাটি স্থানীয়রা জানতে পেরে বাজারে বলাবলি করতে থাকে। এরপর স্থানীয়রা কাছে গিয়ে দেখেন অভিযুক্তরা একটি কুকুর জবাই করে চামড়া ছাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা চিৎকার করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা কুকুর ও মাংস কাটার সরঞ্জাম জব্দ করে। ঘটনাটি জানাজানির পর শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভীড় জমায়।
স্থানীয় জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রায় ২৫-৩০ কেজি জবাই করা কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে। কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুদু পালিয়ে গেছে। এনতাজুল উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামের ওলিশাহের ছেলে। আর দুদু মিয়া ওই গ্রামের বাসিন্দা।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, কুকুরের মাংস বিক্রির খবর পেয়েই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া এবং মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।










