ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সংবাদ প্রকাশের পর এসআই ক্লোজ : বদলগাছীতে ৩ হাজার টাকার ফোনে ৪ হাজার ঘুষ মান্দায় সন্ত্রাসী রাজু মেম্বারের গ্রেপ্তার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান —নিয়ামতপুরে ভূমিমন্ত্রী আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ইফতার পার্টি পরিচালনাকারী আশিক গ্রেপ্তার সাপাহারের গোপালপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক নিয়ামতপুরে ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা  মান্দায় পুলিশের সহায়তায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আত্রাইয়ে স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা নওগাঁয় শতকোটির সড়ক উন্নয়নের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন প্রকৌশলী নূরে আলম

নওগাঁয় বিচার না পেয়ে এক মুক্তিযোদ্ধা সর্বশান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২৪ বার পড়া হয়েছে

0-4608x2602-0-0#

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার : নওগাঁর এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর শহরের বসতবাড়ী থেকে উচ্ছেদ করতে দীর্ঘ ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন এক সুনামধন্য আইনজীবি। একের পর মামলা দিয়ে হাফিজুর রহমান নামের ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে নাস্তানাবুদ করা হচ্ছে বলে তিনি এক সাংবাদিক সম্মলনে অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়াও তাঁর গ্রাম বগুড়া জেলার ছাতিয়ানগ্রামে দুটি পৃথক জমি ক্রয় করে সমুদয় মূল্য পরিশোধ করেও তাঁকে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়া হয়নি। এতে তিনি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। নানা রকম হুমকি ধামকি দিয়ে জীবন অতিষ্ট করে তোলা হয়েছে বলে তিনি আতঙ্কিত জীবন অতিবাহিত করছেন।

তিনি জানান, নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া স্লুইচগেইট সংলগ্ন জনৈক ডাক্তার আলমগীর হোসেনের পুত্রের নিকট থেকে একটি বাসা ক্রয় করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। প্রতিবেশী এ্যাডভোকেট আব্দুল গফুর তার এই ক্রয় দলিলের বিরুদ্ধে পেমশন মামলা করেন। এ ব্যাপারে তিনি কেন আইনী সুবিধা পাননি। প্রতিপক্ষ আইনজীবি হওয়ার কারনে নওগাঁ এবং বগুড়া কোন আদলতেই তার পক্ষে আইনি সহযোগিতা দেয়ার জন্য আইনজীবি তার পক্ষে দাঁড়াইনি।

তিনি আরো জানান, এক পর্যায়ে জোরপূর্বক তাঁর বাসার এক অংশ ভেঙ্গে এবং দখল করে দেয়াল তোলা হয়েছে। এতে হাফিজুর রহমান ও তার পরিবার ওই অংশে থাকা টয়লেট ব্যাবহার করতে পারছেন না। দীর্ঘদিন স্ত্রী পুত্র কন্যাদের নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। তিনি জানান, তিনি বাদী হয়ে নওগাঁ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ২৫/০৩ শূন্য মামলা দায়ের করেন। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তা খারিজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এরপর তার বিরুদ্ধে ৩৭৮৮/০৮ সিভিল রিভিশন মোকদ্দমায় তার পক্ষে দুইজন আইনজীবি নিযুক্ত থাকলেও তারা হাজির হননি।
তিনি তিলকপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ডিশ অপারেটিং ব্যাবসা করতেন। বিগত ছাত্রলীগের নেতার ছত্রচ্ছায়ায় পুরো ব্যবসা দখল করে নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করে কেন সুবিচার পাননি বরং এ সময় তাকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এসব ডিশ সংযোগ থেক তার পাওনা ৩০ লাখ টাকা তাকে পরিশোধ করা হয়নি। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমি একজন শুধু মুক্তিযোদ্ধা না মুক্তিযোদ্ধা পরিচালক। যে আকাংখায় মুক্তিযুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি তা হয়নি। এই আকাঙ্খা বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় প্রশাসনের যারা দায়ী তাদের তিনি বিচার দাবী করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নওগাঁয় বিচার না পেয়ে এক মুক্তিযোদ্ধা সর্বশান্ত

আপডেট সময় : ১১:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : নওগাঁর এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর শহরের বসতবাড়ী থেকে উচ্ছেদ করতে দীর্ঘ ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন এক সুনামধন্য আইনজীবি। একের পর মামলা দিয়ে হাফিজুর রহমান নামের ওই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে নাস্তানাবুদ করা হচ্ছে বলে তিনি এক সাংবাদিক সম্মলনে অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়াও তাঁর গ্রাম বগুড়া জেলার ছাতিয়ানগ্রামে দুটি পৃথক জমি ক্রয় করে সমুদয় মূল্য পরিশোধ করেও তাঁকে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়া হয়নি। এতে তিনি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। নানা রকম হুমকি ধামকি দিয়ে জীবন অতিষ্ট করে তোলা হয়েছে বলে তিনি আতঙ্কিত জীবন অতিবাহিত করছেন।

তিনি জানান, নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া স্লুইচগেইট সংলগ্ন জনৈক ডাক্তার আলমগীর হোসেনের পুত্রের নিকট থেকে একটি বাসা ক্রয় করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। প্রতিবেশী এ্যাডভোকেট আব্দুল গফুর তার এই ক্রয় দলিলের বিরুদ্ধে পেমশন মামলা করেন। এ ব্যাপারে তিনি কেন আইনী সুবিধা পাননি। প্রতিপক্ষ আইনজীবি হওয়ার কারনে নওগাঁ এবং বগুড়া কোন আদলতেই তার পক্ষে আইনি সহযোগিতা দেয়ার জন্য আইনজীবি তার পক্ষে দাঁড়াইনি।

তিনি আরো জানান, এক পর্যায়ে জোরপূর্বক তাঁর বাসার এক অংশ ভেঙ্গে এবং দখল করে দেয়াল তোলা হয়েছে। এতে হাফিজুর রহমান ও তার পরিবার ওই অংশে থাকা টয়লেট ব্যাবহার করতে পারছেন না। দীর্ঘদিন স্ত্রী পুত্র কন্যাদের নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। তিনি জানান, তিনি বাদী হয়ে নওগাঁ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ২৫/০৩ শূন্য মামলা দায়ের করেন। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তা খারিজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এরপর তার বিরুদ্ধে ৩৭৮৮/০৮ সিভিল রিভিশন মোকদ্দমায় তার পক্ষে দুইজন আইনজীবি নিযুক্ত থাকলেও তারা হাজির হননি।
তিনি তিলকপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ডিশ অপারেটিং ব্যাবসা করতেন। বিগত ছাত্রলীগের নেতার ছত্রচ্ছায়ায় পুরো ব্যবসা দখল করে নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করে কেন সুবিচার পাননি বরং এ সময় তাকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এসব ডিশ সংযোগ থেক তার পাওনা ৩০ লাখ টাকা তাকে পরিশোধ করা হয়নি। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমি একজন শুধু মুক্তিযোদ্ধা না মুক্তিযোদ্ধা পরিচালক। যে আকাংখায় মুক্তিযুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি তা হয়নি। এই আকাঙ্খা বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় প্রশাসনের যারা দায়ী তাদের তিনি বিচার দাবী করেন।